৯ জেলার ৯৪টি ইউনিয়নে জলবায়ু সহনশীলতা প্রোগ্রাম: ফিল্ম, ছবি, কেস স্টাডি আর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যান।
যা জরুরি, তার হিসাব রাখুন
কিনাভিক টুল বানায় আর এভিডেন্স জোগাড় করে, যাতে মানুষ নিজের অগ্রগতি দেখতে পায়: বাচ্চার স্কিল, প্রোগ্রামের রেজাল্ট, একটা ট্রিপ, একটা বাজেট, একটা বিড।
মাপতে না পারলে সামলানো যায় না, তাই আমরা মাপার ব্যবস্থা বানাই
আমাদের নাম এসেছে ভিক থেকে। নর্স ভাষায় ভিক মানে উপসাগর। উপসাগর হলো শান্ত একটা বন্দর, যেখানে সবকিছু নিরাপদে থাকে, চোখের সামনে থাকে। এখানকার প্রতিটা প্রোডাক্ট আর প্রজেক্ট কারো না কারো জন্য সেই কাজটাই করে: বাবা-মা, টিচার, প্রোগ্রাম অফিসার, ফ্যাক্টরি, ভ্রমণকারী।
একটা ভাবনা, ৪ জায়গায়
৪টি পরিবার ধরে স্ক্রল করুন। পৌঁছালেই পথের প্রতিটা চিহ্ন জ্বলে উঠবে।
একটাই পথ। প্রতিটা প্রোডাক্ট সেই পথের একটা চিহ্ন। আপনি এখন কোথায়, আর এরপর কী।
শেখা
রিপোর্ট কার্ডে নম্বর থাকে। বাচ্চা কী পারে, সেটা থাকে না।
তাই আমরা ৪টি টুল বানিয়েছি। প্রতিটার একটাই কাজ। বাচ্চাদের জন্য স্কিল পাসপোর্ট। ছোট ছোট চেক, যাতে টিচার দেখেন কোন শিক্ষার্থী কী শিখলো। স্কুলের কাগজের কাজ সারার একটা সিস্টেম। আর যে বড়রা এখনো শিখছেন, তাঁদের জন্য একটা ট্র্যাকার।
কাজ আর প্রতিষ্ঠান
প্রতিষ্ঠানগুলো একই ৩টি জিনিসের হিসাব হারায়: কে, কোন বিড, আর শেষে কী হলো।
নোটিশ বিড আর মানুষের হিসাব রাখে। বিড জেতার পর ইনারো প্রোগ্রামকে প্ল্যান মতো রাখে। নোঙর বিদেশে থাকা মানুষদের যুক্ত করে, যাঁরা কাজে হাত লাগাতে চান। আমাদের নিজেদের কনসাল্টিং উইং এই ৩টিই ব্যবহার করে।
প্রতিদিনের জীবন
যা সবচেয়ে মনে রাখতে চায়, মানুষ সেটাই সবচেয়ে কম লিখে রাখে।
যেখানে যেখানে গেছেন, তার একটা ম্যাপ। ৩ ট্যাপে টাকার হিসাব। ১ ট্যাপে মুড লগ। এক বছর পর প্রতিটা এমন একটা প্যাটার্ন দেখায়, যা এক দিনে কখনো চোখে পড়ে না।
২টি উইং, একে অন্যকে এগিয়ে নেয়
কনসাল্টিং উইং প্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট মাপে। টেকনোলজি উইং প্রোডাক্ট বানায়, যাতে মানুষ নিজেই মাপতে পারে। একটা উইং আরেকটাকে শক্ত করে।
Anirar 360
আমাদের কনসাল্টিং উইং। উন্নয়নের জন্য রিসার্চ, কমিউনিকেশন আর প্ল্যাটফর্ম, ২০১৪ থেকে। পুরো অ্যাসাইনমেন্টটাই আমরা নিই।
- বেজলাইন, এন্ডলাইন আর ইভ্যালুয়েশন
- অভ্যাস বদলাতে সাহায্য করে এমন ক্যাম্পেইন
- মনিটরিং সিস্টেম আর ডেটা স্টোরি
Studio Imagine
আমাদের টেকনোলজি উইং। আমাদের প্রোডাক্ট বানায় আর চালায়, ভেতরে এআই কাজে লাগায়।
- ওয়েব আর মোবাইল অ্যাপ, ডিজাইন থেকে লঞ্চ
- এআই ফিচার, রিলিজের আগে মানুষ চেক করে
- ফিল্ম, অ্যানিমেশন আর ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
আসল ক্লায়েন্ট, চাইলে যাচাই করুন
এই সাইটের প্রতিটা দাবির পাশে একটা ক্লায়েন্টের নাম আছে। এখানে কয়েকটা।
হিট স্ট্রেস নিয়ে একটা দেশের প্রথম জলবায়ু রিপোর্ট লঞ্চের অ্যানিমেটেড ফিল্ম।
৪টি অঞ্চলের স্কুলে জলবায়ু সহনশীল পানি আর স্যানিটেশন নিয়ে ডকুমেন্টারি আর ছবি।
ইইউ-র ফান্ডে পুষ্টি নিয়ে ডকুমেন্টারি, শুটিং হয়েছে শরণার্থী রেসপন্সের ভেতরে।
৪ বছরের রিটেইনার: ৯টি উপজেলায় নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিয়ে নানা ফরম্যাটের টুলকিট।
নদী অববাহিকার কম আয়ের পরিবারের জন্য ডকুমেন্টারি। বিষয় ছিলো তখনকার নতুন বন্যা বীমা, যা পানি একটা নির্দিষ্ট লেভেল পার হলেই টাকা দেয়।
আমাদের কনসাল্টিং ৬টি সেক্টরে
শিক্ষা আর আজীবন শেখা
জলবায়ু আর গ্রিন এনার্জি
পানি আর স্যানিটেশন
ফাইন্যান্স আর জীবিকা
সুশাসন আর ন্যায়বিচার
স্বাস্থ্য আর পুষ্টি
যে ৪টি নিয়মে আমরা বানাই
এক প্রোডাক্ট, এক কাজ
প্রতিটা অ্যাপ একটা কাজ ভালোভাবে করে। লম্বা ফিচার লিস্ট প্রোডাক্টকে মেরে ফেলে।
সাইন-আপের আগেই কাজে লাগে
প্রথম স্ক্রিন সাথে সাথে কাজ করে। অ্যাকাউন্ট লাগে না, কার্ড লাগে না, কিছু ইনস্টল করতে হয় না।
দাবির পাশেই প্রমাণ
এই সাইটের প্রতিটা দাবির পাশে একটা ক্লায়েন্টের নাম বা একটা সংখ্যা আছে। দেখাতে না পারলে আমরা বলি না।
প্রতিটা ভাষার জন্য আলাদা লেখা
প্রতিটা ভাষা পায় নিজের স্ক্রিন আর কপি। মানুষ সত্যিই যে শব্দ বলে, সেটা দিয়েই লেখা।
কীসের হিসাব রাখতে চান, আমাদের বলুন
১ কাজের দিনের মধ্যে উত্তর দিই। তারপর ২০ মিনিটের একটা কল ঠিক করি।